অপূর্ণ কথার ভালোবাসা
বিকেলের নরম রোদ জানালার পাশে এসে থেমেছে। রিয়া জানালার কাঁচে আঙুল বুলিয়ে ভাবছিল—কত কথা বলা বাকি রয়ে গেল কিছু মানুষের সঙ্গে, অথচ সময় ফুরিয়ে যায়। আরিফকে তার প্রথম দেখা কলেজ লাইব্রেরিতে। বইয়ের তাকের মাঝখানে দাঁড়িয়ে দু’জনেই একই বই ধরেছিল—হাত ছুঁয়ে গিয়েছিল অজান্তেই। সেই এক মুহূর্তেই শুরু হয়েছিল অদ্ভুত এক নীরব সম্পর্ক। তারা প্রতিদিন কথা বলত। কখনো ক্লাসের ফাঁকে, কখনো ক্যান্টিনে চায়ের কাপে। আরিফ খুব বেশি কথা বলত না, কিন্তু রিয়ার কথা মন দিয়ে শুনত। রিয়া বুঝতে পারত—কিছু মানুষ শব্দের চেয়ে অনুভূতিতে বেশি কথা বলে। সময় এগোল। পড়াশোনা শেষ হলো। জীবন ব্যস্ত হয়ে পড়ল। আরিফ অন্য শহরে চাকরি পেল। যাওয়ার দিন সে শুধু বলেছিল, “ভালো থেকো, রিয়া।” রিয়া কিছু বলতে পারেনি। বুকের ভেতর জমে থাকা হাজারো কথার ভিড়ে একটা শব্দও বের হয়নি। বছর কেটে গেল। একদিন হঠাৎ পুরোনো খাতার ভেতর থেকে একটা চিরকুট পড়ে গেল। আরিফের হাতের লেখা— “কখনো যদি আমাকে খুঁজে পাও, বুঝবে—আমি তখনো তোমাকেই ভাবছি।” চোখ ভিজে উঠল রিয়ার। ঠিক সেই মুহূর্তেই ফোনটা বেজে উঠল। অচেনা নাম্বার। “রিয়া?” চেনা কণ্ঠ। অনেক কিছু বদলে গে...